টারের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
IP Address বণ্টন: রাউটার আপনার নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসকে একটি নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস দেয়, যাতে ডেটা প্যাকেটগুলো সঠিক ডিভাইসে পৌঁছাতে পারে।
ওয়্যারলেস ও ওয়্যারড কানেকশন: রাউটারের মাধ্যমে আপনি ওয়াইফাই (Wi-Fi) ব্যবহার করতে পারেন, আবার LAN Port ব্যবহার করে তারের মাধ্যমেও ইন্টারনেট নিতে পারেন।
নিরাপত্তা (Security): রাউটারে ফায়ারওয়াল (Firewall) এবং পাসওয়ার্ড প্রটেকশন (WPA2/WPA3) থাকে, যা আপনার নেটওয়ার্ককে হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষা করে।
ব্যান্ডউইথ কন্ট্রোল: অনেক রাউটারে নির্দিষ্ট কোনো ডিভাইসের জন্য ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেওয়া যায়।
৩. রাউটারের প্রকারভেদ
| প্রকার | বিবরণ |
| Single Band | এটি শুধু ২.৪ গিগাহার্জ (2.4 GHz) ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। এর রেঞ্জ বেশি হলেও স্পিড কিছুটা কম হয়। |
| Dual Band | এটি ২.৪ গিগাহার্জ এবং ৫ গিগাহার্জ (5 GHz) উভয় ব্যান্ডেই কাজ করে। ৫ গিগাহার্জে অনেক বেশি স্পিড পাওয়া যায়। |
| Mesh Router | বড় বাসা বা অফিসের সব কোণায় নেটওয়ার্ক পৌঁছে দিতে একাধিক রাউটার মিলে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে। |
৪. রাউটারের পেছনে থাকা বিভিন্ন পোর্ট
WAN (Wide Area Network) Port: এখানে আপনার ইন্টারনেটের মূল ক্যাবলটি ঢোকে। এটি সাধারণত ভিন্ন রঙের হয়।
LAN (Local Area Network) Port: এখান থেকে ক্যাবল দিয়ে আপনি পিসি, ল্যাপটপ বা সুইচে কানেকশন দিতে পারেন।
USB Port: কিছু আধুনিক রাউটারে পেনড্রাইভ বা হার্ডড্রাইভ লাগিয়ে নেটওয়ার্কের সবার সাথে ফাইল শেয়ার করা যায়।
এয়ার কন্ডিশনার